এনএনবি : গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা, মিষ্টিপ্রেমীদের পছন্দের শীর্ষে। খাঁটি ছানার এই রসগোল্লা পেয়েছে ২৯তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি। এতে খুশি গোপালগঞ্জবাসী। আশায় বুক বাঁধছেন জেলার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। এই স্বীকৃতি গোপালগঞ্জের রসগোল্লার প্রসার ঘটাবে বিশ্বে।
খাঁটি দুধের তুলতুলে নরম, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা স্বাদে অতুলনীয়। জানা যায় গণভবনেও এই রসগোল্লার কদর অনেক। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার একদিনের সফরে গোপালগঞ্জে এসে স্বাদ নিয়েছিলেন। গোপালগঞ্জ জেলায় প্রায় দুশ’ মিষ্টির দোকান রয়েছে। চাহিদার শীর্ষে এই এলাকার রসগোল্লা ও সন্দেশ। এর ইতিহাসও বেশ পুরনো। ১৯৩৮ সালে কোর্ট এলাকায় দত্ত মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে শুরু হয় রসগোল্লা তৈরি ও বিক্রি। স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এর খ্যাতি। বংশ পরম্পরায় আজও সুনাম ধরে রেখেছে সেই দত্তের রসগোল্লা।
স্থানীয় গ্রামগুলো থেকে খুব ভোরে চলে আসে খাঁটি দুধ। আর শুরু হয়ে যায় মিষ্টি তৈরির কর্মযজ্ঞ। দুধ থেকে ছানা, সেই ছানা কেটে নিপুণ হাতে তৈরি হয় রসগোল্লা। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রদূতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এর স্বাদে মুগ্ধ। মিষ্টিপ্রেমীরা বলেন, এই রসগোল্লার মতো স্বাদ আর কোথাও মেলে না। তাই নিজেদের তৈরি এই রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পাওয়ায় খুশি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কারিগররা।
রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতি, গোপালগঞ্জ জেলার অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা। দেশে যেমন এর প্রসার ঘটবে। সৃষ্টি হবে বিশ্ব বাজার। রপ্তানি আয় থেকে আসবে বৈদেশিক মুদ্রা।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, এই রসগোল্লার অনন্য কিছু বৈশিষ্ট্য আছে এটা ছানা এবং চিনি দিয়ে তৈরি, এতে কোনো ময়দা ব্যবহার করা হয় না। এই রসগোল্লা তেমন একটা মিষ্টি হয় না।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
