এনএনবি : দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক এজেন্টকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাত ১০টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের পূর্ব মির্জানগর গ্রামে প্রতিবেশীরা তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় বলে জানিয়েছেন সোনাইমুড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে কে বা কারা এবং কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
নিহত ৩৫ বছরের শাহেদুজ্জামান পলাশ ওই গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। একসময় বিদেশে থাকা শাহেদুজ্জামান দেশে ফিরে এলাকায় মাছ ও মুরগির খামার করেন।
স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। তবে দিনের বেলায় নিজের বাড়িতে আসতেন এবং খামার দেখাশোনা করতেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাহেদুজ্জামান পূর্ব মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে কাঁচি প্রতীকের পোলিং এজেন্ট ছিলেন বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক।
তিনি অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট ও অবৈধ প্রভাব বিস্তারের প্রতিবাদ করায় ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন থেকে নৌকার প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা শাহেদুজ্জামানকে হুমকি দিয়ে আসছে। এর জেরে তাকে খুন করা হতে পারে।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করা এই আওয়ামী লীগ নেতা।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন এই আসনে নৌকা প্রতীকের বিজয়ী প্রার্থী মোরশেদ আলম।
তার দাবি, ১০ বছর ধরে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে আছেন। এ সময় এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা হত্যাকাণ্ড না ঘটলেও নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচারে নেমেছেন।
সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য সোনাইমুড়ী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
নোয়াখালী-২ আসনে মোরশেদ আলম নৌকা প্রতীকে ৫৬ হাজার ১৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। স্বতন্ত্র (কাঁচি) প্রার্থী আতাউর রহমান ভূঁইয়া পান ৫২ হাজার ৮৬৩ ভোট।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে সোনাইমুড়ী থানার ওসি মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহেদুজ্জামানের সঙ্গে তার স্ত্রীর ভিডিও কলে সর্বশেষ কথা হয়েছিল। এরপর রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ির পাশের খালি জায়গায় রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহালে নিহতের কপাল ও মুখে ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা গেছে।
কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, এ বিষয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
