এনএনবি : মাগুরার শালিখা উপজেলায় গ্রাম্য দলাদলির জেরে এক বছর আগে এক কৃষককে হত্যার দায়ে তিন আসামির ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত তিন আসামি হলেন- শালিখা উপজেলার কোটভাগ গ্রামের শামসুদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আব্দুস সবুর, গহর মুন্সির ছেলে হাবিবুর এবং ইমান উদ্দিনের ছেলে বুলু মিয়া।
এ মামলার ৩৬ আসামির মধ্যে বাকি ৩৩ জনের ক্ষেত্রে অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছে আদালত।
মাগুরা জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাভোকেট মশিউর রহমান জানান দণ্ডিত তিন আসামি রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শালিখা উপজেলার কোটভাগ গ্রামের আমজাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে সাহেব আলী (৪০) ২০০২ সালের ৮ মার্চ সকালে মাঠে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ‘পূর্ব শত্রুতা ও গ্রাম্য দলাদলির জের ধরে’ আসামিরা কোটভাগ কমিউনিটি প্রাইমারি স্কুলের সামনে রামদা, সড়কি, বল্লম, লোহার রড ও বাঁশ দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে সাহেব আলীকে হত্যা করে।
সাহেব আলীর বাবা আমজাদ আলী বিশ্বাস ওই দিনই ৩৬ জনকে আসামি করে শালিখা থানায় হত্যা মামলা দায়ে করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে তাদের সবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।
সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বিচারক মঙ্গলবার তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিলেন।
রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মামলার বাদী আমজাদ আলী বিশ্বাস বলেন, ছেলে হত্যার রায় পেয়ে তিনি খুশি হয়েছেন।
এনএনবি : রাজধানীর হাজারীবাগে লিচু খাওয়ার সময় বিচি গলায় আটকে অনিক (১০) নামে প্রতিবন্ধী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জুন) বেলা ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিশুর মা পারভিন আক্তার বলেন, আমার ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার হাতে লিচু দিয়ে আমি কাজ করছিলাম। এসময় গলায় লিচুর বিচি আটকে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানায়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
