এনএনবি : কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই খাতের ব্যবসায়ীরা ১০ পদের পণ্য আমদানিতে এলসি বা ঋণপত্রের মার্জিন ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে কমাতে পারবেন।
মঙ্গলবার এক পরিপত্রের মাধ্যমে সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে এই নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এসব পণ্য নিয়মিত আমদানি হলে দেশের অর্থনৈতিক গতি বাড়বে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
যেসব পণ্যের জন্য এলসি মার্জিন শিথিল করা হয়েছেÑ ১. শিল্প ও শিল্প-সংশ্লিষ্ট খুচরা যন্ত্রাংশ; ২. টেক্সটাইল কাঁচামাল, রাসায়নিক ও আনুষঙ্গিক পণ্য; ৩. প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং আইটেমের কাঁচামাল; ৪. চিকিৎসা–সম্পর্কিত কাঁচামাল ও রিএজেন্ট; ৫. ইউপিএস ও আইপিএসের যন্ত্রাংশ ও আনুষঙ্গিক পণ্য; ৬. নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট পণ্য; ৭. নির্মাণ খাতের স্থানীয় উৎপাদনের সম্পূরক পণ্য (স্টিল শিট ও এইচ বিম ইত্যাদি); ৮. কম্পিউটার ও ল্যাপটপের যন্ত্রাংশ; ৯. তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ইন্টারনেট, সাইবার নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার এবং ১০. যানবাহনের খুচরা যন্ত্রাংশ (টায়ার-টিউবসহ আনুষঙ্গিক পণ্য)।
পরিপত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, সিএমএসএমই ও অন্যান্য খাতের জন্য ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণপত্রের মার্জিন নির্ধারণ করা যাবে। অর্থাৎ ঋণপত্রের মার্জিন কেমন হবে, তা ব্যাংকের ওপর নির্ভর করবে। আগে এসব পণ্য আমদানিতে ৭৫ শতাংশ এলসি মার্জিন রাখতে হতো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের পরিপত্র অনুযায়ী, বিলাসজাতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ৭৫ থেকে ১০০ শতাংশ মার্জিন প্রযোজ্য হবে। এখনো এ জাতীয় পণ্য আমদানিতে পুরো বা ৭৫ শতাংশ অর্থ আগেই ব্যাংকে জমা দিতে হবে। তখন ডলার-সংকটের কারণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডলার-সংকট এখন কেটে গেছে, তা বলা যাবে না।
আগের নির্দেশনায় বলা আছে, মোটরকার (সেডানকার, এসইউভি, এমপিভি ইত্যাদি); ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস হোম অ্যাপ্লায়েন্স; স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার; মূল্যবান ধাতু ও মুক্তা; তৈরি পোশাক; চামড়াজাত পণ্য; পাটজাত পণ্য; প্রসাধনী; আসবাব ও সাজসজ্জার সামগ্রী; ফল ও ফুল; নন-সিরিয়াল ফুড (যেমন অ-শস্য খাদ্যপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য ও পানীয়, যেমন টিনজাত খাদ্য, চকলেট, বিস্কুট, জুস, সফট ড্রিংকস ইত্যাদি); অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় এবং তামাক ও তামাকজাত বা এর বিকল্প পণ্যসহ অন্যান্য বিলাসজাতীয় পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে। এখনো এই নিয়ম চালু আছে।
তবে সম্প্রতি নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘আমরা বলে দেওয়ার পরও বিলাসদ্রব্যের আমদানি সেভাবে কমানো যায়নি। দামি গাড়ি আসা থামেনি। অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসবহুল আমদানি যেন কমে, সেই ব্যবস্থা আমরা করছি। নতুন নীতিতে আমদানি কমানোর চিন্তা থাকবে। রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা থাকবে।’
এদিকে আগের নির্দেশনাতেই শিশুখাদ্য, অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত জীবন রক্ষাকারী ওষুধ-সরঞ্জামসহ চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি, উৎপাদনমুখী স্থানীয় শিল্প ও রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য সরাসরি আমদানি করা মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল, কৃষি খাতসংশ্লিষ্ট পণ্য ও সরকারি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পের জন্য কোনো কিছু আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্রের মার্জিন শিথিল করা আছে।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
