এনএনবি : আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী দেখে নয়, বরং অপরাধ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।
নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেছেন, “মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলভাবে তাদের কাজটুকু করে তবে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হওয়ার সুযোগ নেই।”
শনিবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১০টায় প্রথমে তিনি লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সভায় প্রার্থীরা বিভিন্ন বিষয় নির্বাচন কমিশনারের কাছে তুলে ধরেন।
সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু জাফর, অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক এসএম রশিদুল হক, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচনি আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা করেন।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা ।
তিনি বলেন, যে প্রার্থীই নির্বাচনি আচরণ বিধি ভঙ্গ করুক না কেন, দলমত নির্বিশেষে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রার্থী দেখে নয়, বরং অপরাধ দেখেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
“বিগত নির্বাচনেও যারা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা আরও বলেন, ভোটারদেরকে নির্বিঘ্নে নিরাপদে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ও ভোটপ্রদানের সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ তৈরিতে যা-যা প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসন তাই করবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ধাপে-ধাপে নির্বাচন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “কোনোভাবেই ভোটাররা যেন অসন্তুষ্ট না হন ও ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।”
উপজেলায় নির্বাচনের লালমনিরহাটে প্রথম ধাপে পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধায় ভোট হবে আগামী ৮মে। দ্বিতীয় ধাপে আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় ২১মে নির্বাচন হবে। সব শেষে জুনের প্রথম সপ্তাহে লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে।
