এনএনবি : যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্কোরধারী পরিবেশসম্মত কারখানাটি বাংলাদেশের গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।
২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা তরুণ উদ্যোক্তা মির্জা শামস মোহাম্মদ শক্তির এসএম সোর্সিং নামের কারখানাটি ১১০ পয়েন্টের মধ্যে পেয়েছে ১০৬।
গত ১২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) তাদের সর্বোচ্চ স্কোরধারী পরিবেশসম্মত কারখানা হিসেবে লিড প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে এসএম সোর্সিংয়ের নাম ঘোষণা করে।
প্রায় আড়াই মাস পর সোমবার প্রতিষ্ঠানটির হাতে সনদ তুলে দেন ইউএসজিবিসির প্রতিনিধি শান্তনু দত্ত গুপ্ত ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ৩৬০ ডিগ্রি টোটাল সল্যুশনের পরামর্শক অনন্ত আহমেদ।
লিড সনদপ্রাপ্ত দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠানটিও বাংলাদেশের। ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড নামের ওই কারখানা ১১০ এর মধ্যে ১০৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে।
তৈরি পোশাক প্রস্তুত রপ্তানিকারকদের সমিতি বিজিএমইএ জানায়, বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি সর্বোচ্চ লিড গ্রিন কারখানার মধ্যে ৫৪টিই বাংলাদেশের। সেরা ১০টি কারখানার মধ্যে ৯টি এবং শীর্ষ ২০টি সর্বোচ্চ লিড গ্রিন কারখানার মধ্যে ১৮টি বাংলাদেশে অবস্থিত।
কোন ক্ষেত্রে কত স্কোর
যোগাযোগ ও অবস্থানগত দিক থেকে কারখানাটি ১৫ এর মধ্যে ১৫ পেয়েছে। টেকসই অবস্থানের দিক থেকেও তারা দশে ১০।
পানির পরিবেশ সম্মত ব্যবহারের দিক থেকেই কিছুটা পিছিয়ে। ১২ পয়েন্টের মধ্যে তারা পেয়েছে ৯ পয়েন্ট। তবে পরিবেশ সম্মত শিল্প সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাদের অর্জন ৮ এ ৮ আর বিদ্যুৎ, জ্বালানি সাশ্রয়ের প্রশ্নে ৩৮ পয়েন্টের মধ্যে ৩৭ পয়েন্ট পেয়েছে কারখানাটি।
অভ্যন্তরীণ পরিবেশগত দিক থেকে ১৭ পয়েন্টের মধ্যে ১৭, উদ্ভাবনে ৬ এ ৬ এবং আঞ্চলিক অগ্রাধিকারে ৪ এ ৪ পেয়েছে এসএম সোর্সিং।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “একটি কারখানা লিড সনদ অর্জন করার ক্ষেত্রে অনেক পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হতে হয়, এটি সহজ বিষয় নয়।
“ছোট আকারের কারখানার ক্ষেত্রে কাজটি সহজ হলেও বড় কারখানাগুলোকে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জর মধ্যে দিয়ে এই সনদ অর্জন করতে হয়। এটি ক্রেতাদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কারখানার জন্য একটি সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করে।”
ইউএসজিবিসির প্রতিনিধি শান্তনু দত্ত গুপ্ত বলেন, “এসএম সোর্সিংয়ের জন্য এটা খুবই গৌরবময় অর্জন। এটি টেকসই বা পরিবেশ সুরক্ষার প্রচেষ্টায় চলমান অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
এসএম সোর্সিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মির্জা শামস মাহমুদ শক্তি বলেন, “বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের এমন মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান সৃষ্টি করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমরা বৃষ্টির পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার, বাগান করে সেখানে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের মতো প্রযুক্তিতে বেশি মনোযোগ দিয়েছি।
“এই কাজ করতে গিয়ে কিছু বাড়তি খরচ হলেও ক্রেতাদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে অনেক। বিভিন্নভাবে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে তা এক সময় বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।”
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
