মাসুদ রানা : ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম ভাগে প্রকৃতিতে রাঙিয়ে ফুটেছে শিমুল ফুল। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,ভিটা বাড়ির পতিত জমিতে দেখা মিলছে রক্ত লাল শিমুল ফুল।গ াছে গাছে সবুজ পাতা, ফুল আর কোকিলের ডাক মনে করিয়ে দেয় বসন্তের আগমনী বার্তা। কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে শিমুল গাছ। প্রতিনিয়ত বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ। গ্রাম বাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে রক্তরাঙা এসব শিমুল গাছ। সেই সাথে কমেছে মনোমুগ্ধকর শিমুল ফুল। প্রস্ফুটিত শিমুল ফুলের অপরূপ দৃশ্য জানান দিতো সৌন্দর্য্য পুরো এলাকা। ঋতুরাজ বসন্তে আগের মত চোখে পড়ে না শিমুল গাছ। এর ফলে মান সম্মত ও স্বাস্থ্য সম্মত তুলা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে মানুষ। শিমুল গাছ কেউ তেমন রোপন করে না। কারন আধুনিক ও প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে শিমুল কাঠের দাম কম। বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির গাছের প্রতি মানুষ ঝুঁকে পড়ায় শিমুল গাছসহ বিভিন্ন দেশীয় গাছ আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক ভাবে গজিয়ে ওঠা এ সব শিমুলের তুলা দিয়ে লেপ, তোষক, বালিশ ইত্যাদি তৈরি করা হতো। যা ব্যবহার খুবই আরাম দায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত হতো। শুধু তাই নয়, শিমুল গাছ অনেক রোগ প্রতিরোধের ঔষধী গাছ হিসেবে ভেষজ-হারবাল ব্যবসায়ীদের কাছে পরিচিত ছিল। স্থানীয়রা জানান, এই তো দেখলাম ১৫/২০ বছর আগে শিমুল তুলা বিক্রি হতো ৩০-৪০ টাকা কেজি।সেই তুলা এখন বিক্রি হয় ৬০০-৭০০ টাকা কেজি। বেশিরভাগ মানুষ বলেন, শিমুল ফুল না ফুটলে যেন বসন্তই মনে হয় না। বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিবেশের সাথে সংস্কৃতি চর্চার একটি যোগসুত্র রয়েছে। গান, কবিতা, নাটকে বাংলার প্রকৃতি উঠে আসে বারবার। তেমনি বসন্ত এলেই চলে আসে শিমুল ফুলের কথা। তাই ঋতু বৈচিত্রের এসব অনুসঙ্গকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও আমাদের।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

