স্টাফ রিপোর্টার : অসংখ্য খানাখন্দে ভরপুর চাটমোহর পৌরসভার প্রধান সড়ক। নামকাওয়াস্তে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হলেও কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না পৌরবাসী। বিশেষ করে পৌরসভার প্রধান সড়ক নিয়ে দূর্ভোগের শেষ নেই পথচারী ও চালকদের। একটু বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে ভাঙাচোরা গর্তে। প্রায়ই ঘটে দূর্ঘটনা। নষ্ট হয় যানবাহন। কষ্ট বাড়ে চালক যাত্রীদের। তবে সাবেক মেয়রের দাবি, টেন্ডার শেষে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে ঠিকাদারকে। শিগগির শুরু হবে কাজ। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি কোনো শহরের প্রধান সড়ক। অসংখ্য খানা খন্দে চলাচলই যেন দায়। তবুও বাধ্য হয়েই এই সড়কে প্রতিনিয়ত চলাচল করে হাজারো মানুষ ও যানবাহন। এমন ভাঙাচোরা সড়কের দুর্দশার চিত্র পাবনার চাটমোহর পৌরসভার। পৌর শহরের প্রধান এই সড়কটি পৌরবাসীর কাছে এখন আতঙ্কের নাম। প্রায় দশ বছরেও সড়কটিতে লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। চাটমোহর থানা মোড় থেকে নতুন বাজার জার্দিস মোড় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কটি দূর্ভোগের আরেক নাম। পুরো সড়ক জুড়ে অসংখ্য খানা খন্দ। চলাচল সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের। শুধু পথচারী নয়, পাশাপাশি যানবাহন চালকদেরও দূর্ভোগের শেষ নেই। একটু বৃষ্টিতে সড়কে জমে তাকে পানি। গর্ত দেখতে না পারায় প্রায়ই ঘটে দূর্ঘটনা। নষ্ট হয় যানবাহন। জরুরী রোগী হাসপাতালে নিতে গিয়ে বিপাকে পড়েন মানুষ। দীর্ঘ বছর ধরে সংস্কার না করায় ক্ষুব্ধ পৌরবাসী। পৌরবাসী রনি রায় বলেন, নামেই প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা। কিন্তু কোনো কাজে নেই। প্রধান সড়কটি এত ভাঙাচোরা যে চলাচলই দায়। এছাড়াও কোনো উন্নয়ন বা সংস্কার নেই। আব্দুল মান্নান পলাশ বলেন, আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম, যে আশা নিয়ে মেয়র নির্বাচিত করেছিলাম, সে আশা পূরণ হয়নি। বৃষ্টি হলে সড়কে চলা যায় না। প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটছে। আব্দুল করিম নামের হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, আমার হোটেলের সামনে সড়কে সবচেয়ে বেশি ভাঙা। বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধ হয়ে তাকে। ছেলেমেয়েরা স্কুলে যাতায়াতে চরম সমস্যায় পড়ে। দশ বছরেই সড়কটিতে উন্নয়ন হয়নি। আমরা চাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হোক। অটোভ্যান চালক আব্দুল মজিদ বলেন, এই সড়কে আর গাড়ি চালাতে ইচ্ছা করে না। একবার গেলে আসলে শরীর সব জয়েন্টে ব্যাথা হয়ে যায়। আর গাড়িতো প্রায় নষ্ট হচ্চে। তিনদিনে যা কামাই করি, একবার মেরামত করতেই শেষ। এ বিষয়ে চাটমোহর পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো বলেন, ‘আমি দায়িত্বে থাকতেই টেন্ডার হয়ে গেছে। কার্যাদেশ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ঠিকাদারকে। কাজও শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই দেশের পরিস্থিতির কারণে থমকে গেছে কাজটি। আমার ধারণা বৃষ্টি শেষ হলেই কাজ শুরু হতে পারে।’ উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত চাটমোহর পৌরসভা প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হয় ২০১৮ সালে। মোট জনসংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। আর মোট ভোটার ১২ হাজার ২৩৮ জন। পৌরসভায় মোট পাকা সড়ক আছে ২৩ দশমিক ৯৭৫ কিলোমিটার।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
