স্টাফ রিপোর্টার : এক সময়ের প্রখ্যাত অভিনেতা, বনমালী ইনষ্টিটিউটের আজীবন সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রয়াত লক্ষি দাস চাকীর স্ত্রী তৃপ্তি চাকীর জীবনাবসান ঘটেছে। তিনি বনমালী ইনষ্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাকালীন আজীবন সদস্য পাক ভারত উপমহাদেশের ঐ সময়ের স্বনামেখ্যাত অভিনেতা প্রয়াত ক্ষিতিশ চন্দ্র চাকীর পুত্রবধু ও বিশিষ্ট সঙ্গীত ওস্তাদ ভক্তি দাস চাকীর ভাবি। সোমবার দিবাগত রাত তিনটা পঞ্চাশ মিনিটে (মঙ্গলবার) পাথরতলাস্থ নিজ বাড়িতে তার জীবনাবসান ঘটে। তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তার বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর। তিনি ২ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার সন্তানেরা সকলেই জেলাজুড়ে পরিচিতমুখ। সন্তানদের মাঝে প্রলয় চাকি জেলা আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি সাংস্কৃতিক সংগঠক প্রলয় চাকী, এক সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মলয় চাকী, সঙ্গীত শিল্পী রিংকু চাকী ও সঙ্গীত শিল্পী কুন্তলা চাকী। তার নাতি পুনম চাকী ও নাতনি সানী চাকীও সঙ্গীত জগতের কাছে পরিচিত নাম। তিনি বিশিষ্ট চিত্রকর ও ভাস্কর্য্য শিল্পী বিপ্লব দত্তের দাদি শ^াশুরি। জেলা জুড়ে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে এই পরিবারের যে আলোকিত সম্পৃক্ততা তার মুল মানুষ্ ছিলেন তৃপ্তি চাকী। আচার আচরণে অত্যন্ত সদালাপী ও বিনয়ী তৃপ্তি চাকীর জীবনাবসানের খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে পাথরতলা মহল্লাসহ শহরের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের মাঝে। অসংখ্য মানুষ ছুটে যান তার বাড়িতে। শোকজর্জর পরিবেশে ভারি হয়ে ওঠে সেখানকার পরিবেশ আবহ। জেলাজুড়ে সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রায় সকলের সাথে তার ছিলো মা ও সন্তানের সম্পর্ক, তার মুখটি শেষবারের মতো দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সঙ্গীতের সাথে ও এ পরিবারের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা শিল্পীরা। গতকাল দুপুরে শালগাড়িয়া মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এদিকে তৃপ্তি চাকীর জীবনাবসানে সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক ও বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল, বইমেলা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শিবজিত নাগ ও সাধারন সম্পাদক আব্দুল হান্নান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোশারফ হোসেন, পাবনা পৌরসভার মেয়র শরীফ উদ্দিন প্রধান, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অজয় দাস ও সাধারন সম্পাদক বাদল কুমার ঘোষ, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার চক্রবর্তী ও সাধারন সম্পাদক বিনয় জ্যোতি কুন্ডু, অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরীর মহাসচিব আব্দুল মতীন খান, ললিত কলা কেন্দ্র ইফার অধ্যক্ষ হাবিব হাসান মনারসহ সকল শিল্পীবৃন্দ, বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সাধারন সম্পাদক ড. মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহসহ শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, আওয়ামী শিল্পী গোষ্ঠীর সাধারন সম্পাদক শামসুন নাহার রেখাসহ শিল্পীবৃন্দ, সপ্তসুরের সকল শিল্পীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক
