এফএনএস স্পোর্টস: ডার্বিতে অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে দলকে টেনে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল ব্রুনো ফের্নান্দেসের। কিন্তু এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ছিলেন ছায়া হয়ে। অধিনায়কের এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্স কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না রয় কিন। ইউনাইটেডের এই গ্রেট বললেন- তিনি দায়িত্বে থাকলে কেড়ে নিতেন ফের্নান্দেসের আর্মব্যান্ড! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোববার ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ৩-০ গোলে উড়ে যায় ইউনাইটেড। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলের পর ফিল ফোডেন লক্ষ্যভেদ করলে বড় জয় নিয়ে ঘরে ফিরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটি। উত্তরসূরিদের এমন অসহায় আত্মসমর্পণ, বিশেষ করে অধিনায়ক হিসেবে ফের্নান্দেসের পারফরম্যান্সে তিতিবিরক্ত কিন। ইউনাইটেডের হয়ে সাতটি প্রিমিয়ার লিগ ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা এই গ্রেট ক্ষোভ উগরে দেন স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে আলাপচারিতায়। “আজ আমি যেটা দেখলাম আমি ফের্নান্দেসের অধিনায়কত্ব কেড়ে নিতাম। অধিনায়ক হওয়ার রসদ তার মধ্যে নেই। সে আর্তনাদ করছিল, হাহাকার করছিল (মাঠে)।” “আর্মব্যান্ড কেড়ে নিয়েই আমি শুরু করতাম, কেননা, ম্যানেজার এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একজন অধিনায়কের যা করণীয়, ফের্নান্দেস তার উল্টোটাই করছে।” গত মৌসুমে লিভারপুলের বিপক্ষে ৭-০ গোলে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল ইউনাইটেড, ১৯৩১ সালের পর যা ছিল সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার। ওই ভরাডুবির পর গ্যারি নেভিল ফের্নান্দেসের দায়িত্ববোধ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। নেভিলের সুরে এবার সুর মেলালেন ইউনাইটেডের সাবেক অধিনায়ক কিনও। গত মার্চের সেই ম্যাচে ফের্নান্দেসের কর্মকাণ্ড সবাইকে হতাশ করেছিল। মাঠ থেকে উঠে যাওয়ার জন্য পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বারবার কোচ এরিক টেন হাগের উদ্দেশে হাত নাড়িয়ে ইশারা করেছিলেন। ফের্নান্দেসের আচরণ ‘অসম্মানজনক’ ছিল বলে মন্তব্য করেন নেভিল। গত গ্রীষ্মে হ্যারি ম্যাগুইয়ারকে সরিয়ে ফের্নান্দেসকে অধিনায়ক করে ইউনাইটেড। কিন্তু সিটির বিপক্ষে মর্যাদার লড়াইয়ের পর কিন প্রশ্ন তুললেন অধিনায়ক হিসেবে উত্তরসূরির সামর্থ্য নিয়ে। “আজকে তাকে আবারও দেখেৃ শতভাগ নিশ্চিত আমি তার অধিনায়কত্ব কেড়ে নিতাম। জানি, এটা অনেক বড় সিদ্ধান্ত, অবশ্যই তারা ম্যাগুইয়ারকে বদলেছে, কিন্তু ফের্নান্দেসের মধ্যে অধিনায়ক হওয়ার গুণ নেই।”
