স্টাফ রিপোর্টার : পাবনা জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ এক সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেছেন, পারিবারিক কলহ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরসহ নানা খবরের সাথে দলীয় মোড়ক লাগিয়ে দিয়ে যুবদলকে সুকৌশলে বিতর্কিত করবার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দু:খজনক। কিছু কিছু খবর নানা অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে যে বিষয়গুলোর কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। গত ১০ সেপ্টেম্বর পাবনা সদর উপজেলার চর তারাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ পাবনার বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা জেলা ও সদর থানা যুবদলের দৃষ্টিগোচর হয়। সংবাদের হেডিং ছিলো প্রবাসীর বাড়িতে যুবদল নেতার গুলিবর্ষন। ঘটনা জেনে জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে সদর থানা যুবদলের আহবায়ক ফারুক হোসেন সুজনকে আহবায়ক করে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে এটি নিতান্তই পারিবারিক ও সামাজিক এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জামাই শ^শুরের দ্বন্দ। আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার দ্বন্দ রাজনৈতিক রূপ দিয়ে অতিরঞ্জিত করা দু:খজনক ও নিন্দনীয়। মিথ্যা চাঁদাবাজি, বোমাবাজী ও মাদকের ব্যবসার গতানুগতিক মিথ্যায় ঘেরা অভিযোগ করা হয়েছে যার কারনে পাবনা জেলা যুবদল অত্যন্ত বিব্রতবোধ করছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ঘটনার বিষয়ে সদর থানা যুবদলের আহবায়ক ফারুক হোসেন সুজনের নেতৃত্বে করে দেওয়া তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন বিবেচনায় ইতোমধ্যেই চর তারাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুস সালামের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি তাদের নিকট আত্মীয়দের মাঝে সংগঠিত উক্ত দ্বন্দ এলাকাভিত্তিক শালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে,ঘটনার দিন রাতে যারা এই আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়েছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। অত্যন্ত দু:খ ও পরিতাপের সাথে ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, যেখানেই সামাজিক বা পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হচ্ছে, সেখানেই কোনো না কোনোভাবে আমাদের দলের লোক থাকলেই তখনই সেটিকে দলীয় মোড়ক দিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে। ঘটনা তো রাজনৈতিক নয় তবুও রাজনৈতিক পদকে, রাজনৈতিক ব্যাক্তিতে হাইলাইটস করা হচ্ছে, এগুলো অসৎ উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং বিএনপি ও যুবদলকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার অপচেষ্টা মাত্র। ইদানিং সিন্ডিকেট ভিত্তিক অপসাংবাদিকতার রোষানলে পড়ে বিব্রতবোধ করছে যুবদল বলে আমরা মনে করি। যুবদল নেতা সালামের বিষয়েও অতিরঞ্জিতভাবে চাঁদাবাজি, বোমাবাজি ও মাদক ব্যবসার বিষয় উল্লেখ করে দলকে সামনে এনে বিতর্কিত করা হয়েছে। জেলা যুবদল নেতৃবৃন্দ যে কোনো ঘটনার প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে অনুরোধ জানান। ঘটনার আরো গভীরে গিয়ে পারিবারিক বিরোধকে পারিবারিক বিরোধ, সামাজিক বিরোধকে সামাজিক বিরোধ হিসেবে তুলে ধরতে অনুরোধ জানান তারা। পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা যুবদলের আহবায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা। বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মনির আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আব্দুর রায়হান নয়ন, যুগ্ন আহবায়ক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) আজিজুল হক লিটন, সদর থানা যুবদলের আহবায়ক ফারুক হোসেন সুজন, সদস্য সচিব মিরাজ হোসেন প্রমূখ। এ সময় যুবদলের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

