স্টাফ রিপোর্টার : ১৫ বছর পরে বিক্ষোভ মিছিল করে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখলে নিলো বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর সন্ত্রাসী কায়দায় তৎকালীন পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইদুল হক চুন্নু জেলা পরিষদ সংলগ্ন পাবনা কমার্শিয়াল কলেজের (বর্তমানে পাবনা সরকারি কলেজ) হোষ্টেল থেকে জোরপূর্বক ছাত্রদের বের করে দিয়ে হোষ্টেলের ভবন ভেঙে ফেলে দখল করে নেয়। এরপরে তিনি আওয়ামীলীগের সাবেক মন্ত্রী ও তার ভাইয়েরা ভাই মোহাম্মদ নাসিমের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে দিয়ে এই হোষ্টেলের জায়গাটি জেলা পরিষদের নামে বিএস রেকর্ড করে নেয়। এরই প্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০১১ সালের ১০ মার্চ জেলা পাবনার যুগ্ন জজ আদালতে উচ্ছেদের বিপক্ষে একটি মামলা (নম্বর-৫৬/১১) দায়ের করেন। গতকাল বুধবার সকালে কলেজের শত শত ছাত্র ছাত্রী ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা পরিষদ সংলগ্ন তাদের প্রতিষ্ঠানের জায়গাতে যায়। সেখানে তারা জেলা পরিষদের দেওয়া তালা ভেঙে প্রবেশ করে পাবনা সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসের জায়গা লেখা ব্যানার টাঙিয়ে দেয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের জায়গা আমাদেরকে ফেরত দিতে হবে। যে কোনো মূল্যে কলেজের ছাত্রাবাসের জায়গা অন্যকে দখল করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কলেজের নিজস্ব জায়গাতে ফের আবার ছাত্রাবাস হবে এবং সেখানে ছাত্ররা থাকবে এটাই তাদের স্বপ্ন এবং এই স্বপ্নকে শিক্ষার্থীরা বাস্তবায়ন করবে। পরে সেখানে নিজেদের নিয়ে আসা তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান খান জানান, পাবনা সরকারি কলেজের (২০১৬ সালের পূর্বের নাম গভ: কমার্শিয়াল ইন্সটিটিউট,পাবনা, ১৯৮৯ সালে ইলিয়েট বনমালী টেকনিক্যাল স্কুল নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুর হয়, ১৯৯২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৯২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সচিব কমিটির সরেজমিনে পরিদর্শন ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এবং ১৯৯৩ সালের ৮ আগষ্টের স্মারক নং শিম/শা: ৫ বিবিধ- ৩৩/৯৩/৩৩৪ এর বন্টন নামা অনুযায়ী উল্লেখিত জমি ও ইমারত অত্র কলেজের মালিকানা অর্জিত হয় এবং২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেটি কলেজের নিয়ন্ত্রণে ছিলো)। কলেজের অধ্যক্ষ এও জানান, তিনি পাবনা সরকারি কলেজের বেদখলকৃত এই নিজস্ব জায়গাটি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা পরিচালনায় অনুমতি প্রার্থনা করে গত ১১ আগষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন। একইসাথে অধিদপ্তরের আইন শাখার শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অপরদিকে কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, কতো বড় দু:খজনক ঘটনা যে একটি কলেজের ছাত্রাবাসে থাকা ছাত্রদেরকে মাস্তানী কায়দায় অস্ত্রের মুখে বের করে দিয়ে কলেজের ছাত্রাবাসকে ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে সেই জমি দখল করে নিয়ে জাল কাগজ তৈরি করে নেওয়া হয়, বিএস রেকর্ড করে নেওয়া হয়। কলেজের নিজস্ব জমি কলেজকে ফেরত দিতে হবে। নইলে কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও বর্তমান ছাত্ররা আন্দোলন গড়ে তুললে তা তো কারো জন্যই সুখকর হবে না। তারাও এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
সর্বশেষ
- বেড়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন সজীব আহ্বায়ক ও গিফারী সদস্য সচিব
- আটঘরিয়ায় নতুন ইউএনও তাহমিদুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
- বিশ^ পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও মানববন্ধন
- উত্তরণ পাবনার ১৯তম বর্ষ পদার্পনে সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত
- জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল কাদের মাস্টারের সহধর্মীনির দাফন সম্পন্ন
- সুজানগরে ভাড়ার ভারে যাত্রীরা দিশেহারা
- মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু তাকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো মোটরসাইকেল আরোহীর
- ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

